সর্বশেষ খবর এখানেই ......

যেতে হয়না, স্কুলই চলে আসে কাছে !

0
বৃহত্তর চলনবিল অঞ্চলের পানি বেষ্টিত অসহায়, সুবিধা বঞ্চিত শিশু আর তরুণ-তরুণীদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে ভ্রাম্যমাণ নৌকা স্কুল ও পাঠাগার। ওই অঞ্চলের শিশু শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে হয়না, বরং নৌকা স্কুলই তাদের কাছে চলে আসে। শিশু কিংবা তরুণ-তরুণী নয়, নৌকায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে কৃষি ভিত্তিক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়ে বন্যা সহনশীল ফসল চাষেও উপকৃত হচ্ছেন গৃহিণীরা। ইতোমধ্যে এই নৌকা স্কুল দেশজুড়ে সাড়া জাগিয়েছে।
পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নাটোরের তিন জেলা জুড়ে বিশাল একটি বিলের নাম হলো ‘চলনবিল’। এই বিলের শতাধিক মানুষ বছরের প্রায় ছয় মাস থাকে পানিবন্দী। প্রতি বছর বন্যায় বিলের পানি গ্রামে উঠে গেলে পানির কারণে বছরের বেশির ভাগ সময় স্কুল থাকে বন্ধ। ক্ষতিগ্রস্ত হয় হাজার হাজার শিক্ষার্থী। ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী ও কৃষকদের কথা বিবেচনা করে ২০০২ সালে নাটোর জেলার একটি বে-সরকারি সংস্থা নৌকা স্কুল, লাইব্রেরি ও কৃষি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করে বৃহত্তর চলনবিল অধ্যুষিত অঞ্চলে।
ওই কার্যক্রম চালুর পর থেকে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ওই নৌকা স্কুলের কার্যক্রম। নৌকার মাঝি বাড়ির ঘাট থেকে ছাত্র ছাত্রীদের নৌকা করে তুলে নিয়ে আসে। ছাত্র-ছাত্রীদের উঠানো শেষ হলে একটি নিদিষ্ট স্থানে নৌকা নোঙ্গর করে ক্লাস করানো হয়। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে শেষ হয় বেলা ১২টায়। ক্লাস শেষে আবার বাড়ির ঘাটে নামিয়ে দেওয়া হয় শিক্ষার্থীদের। নামানো শেষে আবার শুরু হয় দ্বিতীয় শিফটের শিক্ষা কার্যক্রম। চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।
বৃহত্তর চলনবিল অঞ্চলের পানি বেষ্টিত অসহায়, সুবিধা বঞ্চিত শিশু আর তরুণ-তরুণীদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে ভ্রাম্যমাণ নৌকা স্কুল ও পাঠাগার। ওই অঞ্চলের শিশু শিক্ষার্থীদের স্কুলে যেতে হয়না, বরং নৌকা স্কুলই তাদের কাছে চলে আসে। শিশু কিংবা তরুণ-তরুণী নয়, নৌকায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে কৃষি ভিত্তিক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়ে বন্যা সহনশীল ফসল চাষেও উপকৃত হচ্ছেন গৃহিণীরা। ইতোমধ্যে এই নৌকা স্কুল দেশজুড়ে সাড়া জাগিয়েছে।
পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও নাটোরের তিন জেলা জুড়ে বিশাল একটি বিলের নাম হলো ‘চলনবিল’। এই বিলের শতাধিক মানুষ বছরের প্রায় ছয় মাস থাকে পানিবন্দী। প্রতি বছর বন্যায় বিলের পানি গ্রামে উঠে গেলে পানির কারণে বছরের বেশির ভাগ সময় স্কুল থাকে বন্ধ। ক্ষতিগ্রস্ত হয় হাজার হাজার শিক্ষার্থী। ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থী ও কৃষকদের কথা বিবেচনা করে ২০০২ সালে নাটোর জেলার একটি বে-সরকারি সংস্থা নৌকা স্কুল, লাইব্রেরি ও কৃষি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করে বৃহত্তর চলনবিল অধ্যুষিত অঞ্চলে।
ওই কার্যক্রম চালুর পর থেকে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয় ওই নৌকা স্কুলের কার্যক্রম। নৌকার মাঝি বাড়ির ঘাট থেকে ছাত্র ছাত্রীদের নৌকা করে তুলে নিয়ে আসে। ছাত্র-ছাত্রীদের উঠানো শেষ হলে একটি নিদিষ্ট স্থানে নৌকা নোঙ্গর করে ক্লাস করানো হয়। সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়ে শেষ হয় বেলা ১২টায়। ক্লাস শেষে আবার বাড়ির ঘাটে নামিয়ে দেওয়া হয় শিক্ষার্থীদের। নামানো শেষে আবার শুরু হয় দ্বিতীয় শিফটের শিক্ষা কার্যক্রম। চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

Leave A Reply

Your email address will not be published.